মহেশ দরিদ্র বর্গাচাষি গফুরের অতি আদরের একমাত্র ষাঁড়। কিন্তু দারিদ্র্যের কারণে ওকে ঠিকমতো খড়-বিচুলি খেতে দিতে পারে না। জমিদারের কাছে সামান্য খড় ধার চেয়েও পায় না। নিজে না খেয়ে থাকলেও গফুরের দুঃখ নেই। কিন্তু মহেশকে খাবার দিতে না পেরে তার বুক ফেটে যায়। তাই সে মহেশের গলা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলে- মহেশ, তুই তো জানিস আমি তোকে কত ভালোবাসি। মহেশ প্রত্যুত্তরে গলা বাড়িয়ে আরামে চোখ বুজে থাকে।
মানবেতর প্রাণীর প্রতি মমত্বের সম্পর্কের দিক দিয়ে উদ্দীপকের সঙ্গে 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের মিল রয়েছে।
ভালোবাসা একটা স্বর্গীয় অনুভূতি। এমন অনুভূতি মানুষের প্রতি যেমন হতে পারে তেমনই হতে পারে বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিও। ভালোবাসা দিলে মানবেতর প্রাণীর সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কও তৈরি হয়ে যায়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, গফুর তার ষাঁড় মহেশকে খুব ভালোবাসে। অথচ দারিদ্র্যের কারণে মহেশকে ঠিকমতো খড়-বিচুলি দিতে পারে না বলে তার কষ্টের সীমা নেই। নিজে না খেয়ে থাকলেও তার দুঃখ হয় না কিন্তু মহেশকে সে অভুক্ত রাখতে পারে না। মানবেতর প্রাণীর প্রতি এমন ভালোবাসা 'অতিথির স্মৃতি' গল্পেও দেখা যায়। লেখক দেওঘরে বায়ু পরিবর্তন করতে গিয়ে একটি রাস্তার কুকুরকে অতিথির মর্যাদা দিয়ে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। তাকে খেতে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। তার যাতে কোনো অসুবিধা না হয় সেই বিষয়ে খেয়াল রাখতে বলেন। গল্পের এ দিকটির সঙ্গেই উদ্দীপকের মিল রয়েছে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?